আবারও পেনাল্টি থেকে রোনালদোর গোল

9

স্পোর্টস ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারীর পর ইতালিতে ফুটবল ফিরলো কোপা ইতালিয়া দিয়ে। এসি মিলানের বিপক্ষে প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে পেনাল্টি মিস করে বসলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তার সমালোচনাদের মুখ কি আর বন্ধ থাকে! তবে তিনি যে সমালোচনার জবাব দিতে দেরি করেন না, তার প্রমাণ ফুটবল বিশ্ব অনেকবার পেয়েছে। বোলোনিয়ার বিপক্ষে করোনা পরবর্তী সিরি ‘আ’র প্রথম ম্যাচেই স্পট কিক পাঠিয়ে দেন লক্ষ্যে। পরের ম্যাচে আবারও পেনাল্টি, আবারও গোল।

টানা দুই ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করলেন রোনালদো। শুক্রবার রাতে ঘরের মাঠে লেচ্চের বিপক্ষে স্পট কিক থেকে বল জালে জড়িয়েছেন পর্তুগিজ উইঙ্গার। শুধু নিজে গোল করেননি, পাউলো দিবালা ও গনসালো হিগুয়েইনকে দিয়ে করিয়েছেন আরও দুটি। তাদের সঙ্গে মাথিয়াস ডি লিট স্কোরশিটে নাম তুললে ১০ জনের লেচ্চেকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জুভেন্টাস।

কোপা ইতালিয়ার সেমিফাইনালে পেনাল্টি মিসের পর রোনালদোকে একহাত নিয়েছিলেন তার নিন্দুকেরা। করোনাভাইরাস রোনালদোর সেরাটা নষ্ট করে দিয়েছে বলেও বলেছে কেউ কেউ। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতো যদি ফাইনালে না উঠতে পারতো জুভেন্টাস। গোলশূন্য ড্র করেও প্রথম লেগের অ্যাওয়ে গোলের সুবিধা নিয়ে ফাইনালে ওঠে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

সমালোচনা কখনও প্রভাব ফেলতে পারেনি রোনালদোর মনে। করোনাভাইরাসের কঠিন সময় পার করে মাঠে ফিরেই এমন পরিস্থিতির সামনে পড়েও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি ৩৫ বছর বয়সী তারকা। বরং সিরি ‘আ’ ফেরার প্রথম ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জবাবটাও দিয়ে দেন তিনি। আর লেচ্চের বিপক্ষে আরেকবার স্পট কিক থেকে গোল করে দেখিয়ে দিলেন তার আত্মবিশ্বাস কতটা দৃঢ়।

লেচ্চের বিপক্ষে প্রথমার্ধ খুব সংগ্রাম করতে হয়েছিল জুভেন্টাসকে। তবে ৩১ মিনিটে ফাবিও লুসিয়োনি সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জন নিয়ে আর লড়াই করতে পারেনি সফরকারীরা। এরপরও বিরতি পর্যন্ত গোল করতে দেয়নি জুভেন্টাসকে।

বিরতি থেকে ঘুরে এসে ৫৩ মিনিটে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন দিবালা। এরপরই ৬২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে রোনালদোর গোল। আর খেলা শেষ হওয়ার শেষ ৭ মিনিটে হিগুয়েইন ও ডি লিট জাল খুঁজে পেলে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। এই জয়ে ২৮ ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান সুসংহত করলো জুভেন্টাস। ৭ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে শীর্ষে তারা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাৎসিও অবশ্য এক ম্যাচ কম খেলেছে।