একদিনে মৃত্যু ৭৪ শনাক্ত ৬৮৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯ হাজার ৫২১ জনে। এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে আরো ৬ হাজার ৮৫৪ জন। নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ লাখ ৬৬ হাজার ১৩২ জনে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৩৯১ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী। নতুনদের নিয়ে মোট সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৩০ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট ২৪৩টি ল্যাবে ৩৩ হাজার ১৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪৯ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৮টি নমুনা। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ লাখ ৮৫ হাজার ৭০০ টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১২ লাখ ৩০ হাজার ৫৮টি।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৪৮ জন পুরুষ আর নারী ২৬ জন। তাদের মধ্যে ৪ জন বাড়িতে মৃত্যু বাকি সবার মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। মৃতদের মধ্যে ৪৬ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৬ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছর, ৬ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৫ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং এক জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল।

৭৪ মৃত্যুর মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৪৩ জন, চট্টগ্রামের ১৫ জন, রাজশাহীর ৩ জন, খুলনার ৭ জন, বরিশালের ৪ জন ও সিলেট বিভাগের ২ জন ছিলেন। করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত ৯ হাজার ৫২১ জনের মধ্যে ৭ হাজার ১৩০ জন পুরুষ ও ২ হাজার ৩৯১ জন নারী।

এদের মধ্যে ৫ হাজার ৩৪৯ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ২ হাজার ৩৪০ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ১ হাজার ৬৫ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৪৭৩ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৮৫ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে,৭০ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ৩৯ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম।

মোট মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৫ হাজার ৪৮২ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৭০৯ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৫২০ জন রাজশাহী বিভাগের, ৬০৪ জন খুলনা বিভাগের, ২৮৪ জন বরিশাল বিভাগের, ৩৩২ জন সিলেট বিভাগের, ৩৮১ জন রংপুর বিভাগের এবং ২০৭ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

প্রসঙ্গত, কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের সম্পূর্ণ পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এমনকি দুটি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রত্যেকের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা চিকিৎসা ছাড়া অন্য সকল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম আগের মতই চলমান রয়েছে।